সহকারী নিউজ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেলেন মশিউর রহমান
মশিউর রহমান মনির (মনির) একজন লেখক, রাজনীতিবিদ ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব। ২০০৫ সালে স্থানীয় একটি পত্রিকার যার নাম ‘দক্ষিণের বার্তা ” থেকে অতিথি লেখক হিসেবে যাত্রা শুরু করেন লেখালেখিতে। আর রাজনীতিতে যুক্ত আছেন প্রায় তিন যুগ ধরে। এই দুটোকেই নিজের জীবন ও চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে গেছেন বহুদূরে। মাঝে খানিকটা বিরতি ছিলেন, সেসময় তিনি তার নিজ এলাকায় স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ছিলেন। দেশ ও জনগণের উন্নয়ন কাজে নিজেকে ব্যস্ত রেখেছিলেন বলেই সেসময় লেখালেখি থেকে দূরে ছিলেন। তবে বেশ কয়েকবছর ধরে আবারও তিনি বিভিন্ন কলাম ও সম্পাদকীয় পাতায় যুক্ত। সম্প্রতি মশিউর রহমান ‘ডেইলি বাংলাদেশ টাইম ‘ অনলাইন পত্রিকার সহকারী নিউজ সম্পাদক হিসেবে নিয়োগ পান। এর আগে এই দায়িত্বে ছিলেন সামসুল আরেফিন।
জানা যায় আজ এক ভার্চুয়াল মিটিংয়ে চন্দ্র মল্লিকা মিডিয়া গ্রুপের চেয়ারম্যান তাকে এই নিয়োগ দেন।
এই বিষয়ে তিনি বলেন, সংবাদপত্র বা গণমাধ্যমকে একটা রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে অভিহিত করা হয়। তাই একটি দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অন্যতম পূর্বশর্ত হলো মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। এটি সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও মুখ্য ভূমিকা পালন করে থাকে।
রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে গণমাধ্যম যাতে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়াতে পারে সে জন্য সাংবাদিকরা যেন বিনা বাধায় এবং নিরাপদ পরিবেশে যথাযথভাবে তার দায়িত্ব পালন করতে পারে তার উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা দায়িত্বকালীন সরকারের দায়িত্ব। আর সাংবাদিকদের প্রকৃত স্বাধীনতা ছাড়া মুক্ত গণমাধ্যম সুদূর পরাহত।গণমাধ্যম হিসেবে বিশ্বের সবচেয়ে পুরাতন ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্যপ্রবাহের মাধ্যম হচ্ছে সংবাদপত্র। পরবর্তীতে এর সঙ্গে রেডিও, টেলিভিশন জনপ্রিয় গণমাধ্যম হিসেবে যুক্ত হয়। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির যুগে অনলাইন নিউজ পোর্টাল পাঠকদের মধ্যে একটি শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করে নিয়েছে।
সংবাদপত্রকে বলা হয় সমাজের দর্পণ। সংবাদপত্র কেবলমাত্র সংবাদ পরিবেশন করে না। সমাজের সার্বিক বিকাশ সাধনেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে। সংবাদপত্র গণতন্ত্রের সদা জাগ্রত প্রহরী। মানবাধিকার লঙ্ঘিত হলে, গণতন্ত্র ব্যাহত হলে, কোথাও দুর্নীতি হলে গণমাধ্যম সবার আগে সোচ্চার হয়ে ওঠে। অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কারের মতো নানা সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে চেতনার জাগরণ সৃষ্টির মধ্য দিয়ে সমাজকে ইতিবাচক উন্নতির পথে এগিয়ে নিতে সংবাদপত্রের ভূমিকা অনস্বীকার্য।
তিনি আরো বলেন, আমি ও আমাদের পত্রিকা চেস্টা করবে সবসময় বস্তুনিষ্ঠ পূর্ণাঙ্গ খবর প্রকাশ ও মুক্ত চিন্তা ভাবনা।
নিজেকে নিয়ে তিনি বলেন, ব্যক্তিজীবন সম্পূর্ণ আলাদা, এরসাথে আমার পেশা জড়িত নেই। আমি যে পুরো জীবনে লেখালেখি করেছি এটি অনেক এরই অজানা। তাছাড়াও আমি জানাতে পছন্দ করতাম না, যে জেনে গিয়ে বলত তাকে হেসে গিয়ে ধন্যবাদ জানিয়েছি শুধু।
উল্লেখ্য, ২০০৫ সালে ‘দক্ষিণের বার্তা ” থেকে অতিথি লেখক হিসেবে যাত্রা শুরু করেন লেখালেখিতে।এরপরে দৈনিক দেশের সংবাদ, কলমের কন্ঠ, মেট্রো নিউজ, সিটি টাইমস, সবশেষ ‘আলোর মুখ’ অনলাইনে হিসেবে যুক্ত ছিলেন।